Monday, August 26, 2024

জেনারেশন জেড এবং আমাদের নেতৃত্ব


প্রথমেই আমাদের দরকার জেনারেশন এর বয়স ভিত্তিক ধারণা

গ্রেটেস্ট জেনারেশনঃ  জন্ম সাল ১৯০১-১৯২৭ পর্যন্ত, এখন বয়স হবে ১২৪-৯৭ বছর।

সাইলেন্ট জেনারেশনঃ জন্ম সাল ১৯২৮-১৯৪৫ পর্যন্ত, এখন বয়স হবে ৯৬-৭৯ বছর।

বেবি বুমারস জেনারেশনঃ জন্ম সাল ১৯৪৬-১৯৬৪ পর্যন্ত, এখন বয়স হবে ৭৮-৬০ বছর।

জেনারেশন এক্সঃ জন্ম সাল ১৯৬৫-১৯৮০ পর্যন্ত, এখন বয়স হবে ৫৯-৪৪ বছর।

জেনারেশন ওয়াই/ মিলেনিয়ালঃ জন্ম সাল ১৯৮১-১৯৯৬ পর্যন্ত, এখন বয়স হবে ৪৩-২৮ বছর।

জেনারেশন জেড / জেন জিঃ জন্ম সাল ১৯৯৭-২০১২ পর্যন্ত, এখন বয়স হবে ২৭-১২ বছর।

জেনারেশন আলফাঃ জন্ম সাল ২০১৩-২০২৪ পর্যন্ত, এখন বয়স হবে ১১-০ বছর।

 

আমরা সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলি , নতুন সব টেকনোলজির আবির্ভাব হয় আর আমাদের তার ব্যবহার শিখতে হয় ।

কিন্তু নতুন প্রজন্মের মানুষ গুলো আসছে তাদের সাথে তাল মিলিয়ে আমরা কি আমাদের নেতৃত্বের গুনগত , মানগত পরিবর্ধন পরিবর্তন আনছি ?

তাদের চিন্তা চেতনা আমাদের পূর্ববর্তি সকল কিছু থেকেই আলাদা তাহলে সেক্ষেত্রে আমাদের প্রতিষ্ঠান গুলো কিভাবে এগোবে ?

আমরা যদি একটু দেখি আমাদের প্রতিষ্ঠান গুলোতে এখন নতুন নিয়োগ প্রাপ্ত হবে জেন- জেড এবং মিলেনিয়ালের শেষের দিকের ছেলে-মেয়েরা।

এবং ম্যানেজার পজিশন গুলোতে থাকছে ৪০-৫৫ বছর বয়কজন যারা এক্স এবং ওয়াই প্রজন্মের লোকজন।

যেহেতু ওয়াই প্রজন্ম জেড এর কাছাকাছি সুতরাং তাদের কিছুটা কম ঝক্কি পোহাতে হবে এই জেড প্রন্মের সাথে খাপ খাওয়াতে কিঞ্চিত বেশি কষ্ট পোহাতে হবে এক্স দের।

এখানে পুরো ব্যাপারটাই থিওরিটিকাল ভাবে আমি লিখছি ,সব কিছুই আপেক্ষিক কেননা কবি নজরুল তার “যৌবনের গান” এ বলেছেন “ বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধক্যের কঙ্কাল মুর্তি। আবার বহু বৃদ্ধকে দেখিয়াছি—যাঁহাদের বার্ধক্যের জীর্ণাবরণের তলে মেঘ-লুপ্ত সূর্যের মত প্রদীপ্ত যৌবন”।

নতুন কোন ফোন বা নতুন কোন অ্যাপ আসলে আমরা যেমন সেটাকে শিখতে বা জানতে যে শ্রম টা দিই, আমরা কি এমন শ্রম টা দিচ্ছি খাপ খাওয়ানোর জন্য ? যারা আমরা দিচ্ছি তারাই টিকে থাকবো অন্যেরা  ধীরে ধীরে ঝরে পড়ব । এটাই প্রকৃতির নিয়ম।

আমরা যত টিকে থাকব তত আমাদের প্রানশক্তির সংখ্যা বাড়বে আর দেশ বেশি জনশক্তি পাবে এবং এগোবে না হলে কম গতিতে এগোবে।

আমাদের সমাজে এমনো কিছু মানুষ আছেন যারা বলেন “আমাদের সময় এটা হতো না এটা হতো” তোমাকে এটা করতে হবে। ভাই আপনি এখন ঐ সময়ে নাই আপনি এখন ওর সময়ে সুতরাং এটাকেই প্রাধান্য দিতে হবে। তবে যদি সেটা শিষ্ঠাচার বিষয়ক কিছু হয় সেটাকে ওদের মত করে বুঝিয়ে বলতে হবে সেই সনাতন পদ্ধিতিতে বকা ঝকা দিয়ে নয়, চাপিয়ে দিয়ে নয় বরং লজিকালি ব্যাখ্যা দিয়ে। যাতে সে এটাকে বদ্ধমূল করে নিতে পারে মস্তিষ্কে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলতে পারে।

আমাদের অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে পিতারা তাদের নতুন প্রজন্মকে নেতৃত্বে আনছেন, এটা খুব ভালো, কেননা আপনার অভিঙ্গতা কে সে পুজি করে তার নতুন চিন্তা ভাবনাকে রুপ দিতে পারবে।

রিস্ক থাকবেই। অপরপক্ষে অনেকেই তার নতুন প্রজন্মকে আনছেন না কেননা ব্যবসা নষ্ট করে ফেলবে , অনেক অনেক যুক্তি। আপনি যদি তাকে প্রস্তুত করে নাই গেলেন আপনি মারা গেলে সে তো এমনিতেই সব নষ্ট করে ফেলবে।

আমাদের নেতৃত্বের  এবং অভিভাবকদের অনেক কিছু শিখার আছে, এ বিষয়গুল নিয়ে আমাদের কোন কার্যক্রম ও খুব একটা পরিলক্ষিত হয় না ।

Monday, August 16, 2021

ডিসেম্বর ৩০

 

  অর্থ দিয়ে খুঁজো না চিত্ত দিয়ে খুঁজো
    শব্দ দিয়ে বুঝো না ,ভাব দিয়ে বুঝো।


যখন তুমি ছোট্টটি , কাদতেঁ সারা রাত
কখনো মা খাবার দিত,
কখনো মাথায় দিত হাত।
       কখনো আবার গভীর রাতে চাঁদটি দিত পেড়ে
সারাটি রাত গল্প করে রাতটি দিত সেরে।

অর্থ দিয়ে খুঁজো না চিত্ত দিয়ে খুঁজো
শব্দ দিয়ে বুঝো না ,ভাব দিয়ে বুঝো।

মা' র মত কি বুঝবে কেউ ,কখন যে কি চাই?
কেউবা দিবে কড়ি, যখন ভালোবাসা নাই।

Sunday, February 4, 2018

শোক

একদিন বন্দী হব
এক ছোট্ট ফটোতে মাত্র
কিছু বর্ণে বন্দী হব আমি

বন্দী হব অতীতে কৃত কিছু
ভালো খারাপ কর্মের রোমন্থনে

বন্দী হব হয়তোবা কোন গায়কের
ঊৎসর্গ কৃত গায়কীতে

বন্দী হব একটি শব্দে "শোক"

Friday, June 20, 2014

বৃষ্টি




বন্দী হলাম তোমার প্রেমে
বন্দী তোমার নীল খামে


বন্দী হলাম তোমার ঠোটের কোণের মিষ্টি হাসিতে
বন্দী হলাম বরষার বৃষ্টিতে

Wednesday, March 19, 2014

মুষ্ঠি

এই মুষ্ঠিতে বন্দী সুখ
এই মুষ্ঠিতে বন্দী প্রেম
আর ভালোবাসার গল্প

লাল নীল রঙে রাঙ্গা
ঐ সুখের ঘরের দ্বার
আপেক্ষা সেই শব্দের
দ্বারে তোমার কড়া নাড়াবার

চঞ্চল চপল সে প্রাণ
ফাগুনের বাতাস বহে সেথায়
বাতাসে বেলির ঘ্রাণ।

Monday, March 17, 2014

সংখ্যা


ক্যালেন্ডারের অংকগুলো
বড্ড নিষ্ঠুর
কাছের মানুষগুলোকে
কোন না কোন সংখ্যা
নিজের কাছেই রেখে দেয় ।

" মানুষের মানুষ প্রয়োজন "
বেঁচে থাকবার তাগিদে

সুদীর্ঘকাল ধরে কাল ধরে
যে মানুষটির সাথে
একটু একটু করে ছোট্ট ছোট্ট
গল্পে ,হাসি ঠাট্টায় বড় হয়ে ওঠা,
যে ছিল প্রতিটা
বরিবার বিকেল

অথবা

চোখের কোণের জমে থাকা 
অশ্রুর অংশিদার হত যে
হঠাৎ-ই দেখি
সেই
কোন না কোন সংখ্যাই তাঁকেও
একদিনের আল্টিমেটামে নিজের কাছে
রেখে দিয়েছে।

আবার হেঁটে চলা একলা পথে
নিজের মত করে একলা বাঁচা
যেন বিধাতার সুবিশাল
ধরণীও আজ খাঁচা ।

-Dedicated to my best friend DIPTO

Thursday, November 14, 2013

স্মরণ


কতদিন সে পথে হাটা হয়না/
পথের ধুলিবালি গুলো ও বুঝি আমায় সচকিত হয়ে জিঙ্গাসা করবে/ 
তুমি কে গো ? বারে বারে মনে পড়ে সে সময়ের কথা / যখন / 
পথের দু ধারের বৃক্ষরাজি যারা তখন নিতান্তই শিশু / 
আমার আনাগোনা ছিল সে পথ ধরে। কখনোবা দু' পায়ে ভর করে বন্ধুদের সাথে আড্ডায় মগ্ন ছিলাম/ 
কখনোবা দ্বিচক্র সাইকেলের প্যাডেলের উপর পা রেখে সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে চলা।/ 
কখনো জিঙ্গাসা করা হয়নি পথের ধারের ঐ শিশু বৃক্ষরাজিকে কেমন আছ তোমরা / 
কখনো জিঙ্গাসা করা হয়নি  ঐ পথের ধুলিকে কেমন যাচ্ছে তোমার দিনকাল ? 
বর্ষার জলে ধুয়ে গেছে আমার শৈশব আমার কৈশোর , বর্ষার জলে ধুয়ে গেছে সেই পথের ধুলিবালি ও/
 বড্ড মনে পড়ছে আমার শৈশব কৈশোরের সেই হেঁটে চলা 
পথটাকে । 

-উৎসর্গ আমার কৈশোর ,পদ্মার পাড়ের শহর রাজবাড়ী-কে